বিশ্ব
জোড়া একটি বহুল প্রচলিত সবজির নাম হলো মাশরুম। মাশরুম
একটি ভেষজ গুণ সম্পন্ন
ও সামান্যক্যালরিযুক্ত খাবার। এই
খাবারটি কিন্তু অতিরিক্ত ওজন
কমাতেও সাহায্য করে।লন্ডন
ইউনিভার্সিটি অফ বাফ্যালো’র
পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগ পরিচালিত একটিগবেষণায়
দেখা গেছে পোর্টোবোলো প্রজাতির
মাশরুম খাদকের রক্তে শর্করারমাত্রা
নিয়ন্ত্রণ করে ও ওজন
কমায়।
সাধারণত স্যাঁতসেঁতে ও
ছায়াযুক্ত জায়গায়
জন্মায়
যা
সবজি
বা
খাদ্য
হিসেবে
গ্রহণ
করা
যায়। মাশরুমে রয়েছে
প্রচুর
প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল ও
অল্প
পরিমাণ
শর্করা। মাশরুম
ডায়াবেটিস, হৃদরোগ,
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ ও
মারণব্যাধি ক্যান্সার ছাড়াও
আরো
অনেক
রোগ
প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা
রাখে। কমার্শিয়াল জাত
গুলোর
(Wester, Straw ও
Button) প্রতি
১০০
গ্রাম
শুকনা
মাশরুমে গড়ে
নিম্নলিখিত পুষ্টি
উপাদান
পাওয়া
যায়:
প্রোটিন:
মাশরুম এ প্রোটিন এর পরিমান (২৫-৫০%)।সম্পূর্ণ প্রোটিনের পূর্বশর্ত হলো মানব দেহের
অত্যাবশ্যকীয় ৯টি
এমাইনো
এসিডের
উপস্থিতি। মাশরুমে অপরিহার্য এ
৯টি
এমাইনো
এসিডই
প্রশংসনীয় মাত্রায় রয়েছে
এ
কারণে
প্রোটিনের অন্যান্য সব
উৎসকে বলা হয় মাশরুম।
ফ্যাট:
মাশরুম এ (২-৮%) ফ্যাট
আছে। এছাড়া স্ফিঙ্গলিপিড ও
আরগেস্টেরল থাকায়
এর
মান
আরও
উন্নত।
এছাড়া
মাশরুমের ফ্যাটে
লিনোলিক এসিড
আছে
যা
শরীর
সুস্থ্য রাখতে
অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা
রাখে।
কার্বোহাইড্রেট:
মাশরুমে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ
কম
এবং
তা
পানিতে
দ্রবনীয়। ফলে
মাশরুমের কার্বোহাইড্রেড শরীরের
জন্য
অত্যন্ত উপকারী। মাশরুমে আঁশের
পরিমাণও বেশি।
জাত
ভেদে
১০-২৮% আঁশ পাওয়া
যায়।
ফলে
ডায়াবেটিকস রোগীদের ইনসুলিনের চাহিদা
কমাতে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
পালন
করে।
ভিটামিন ও
মিনারেল:
শুকনা
মাশরুমে ৫৭-৬০% ভিটামিন ও
মিনারেল আছে। মাশরুমের মোট
১০০
ভাগ
এর
মধ্যে
পটাসিয়াম, ফসফরাস,
সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম ও
ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ
প্রায়
৭০
ভাগ,
যার
মধ্যে
আবার
৪৫
ভাগই
হচ্ছে
পটাসিয়াম। ভিটামিন এর
মধ্যে
রয়েছে
বি-১, বি-৫,
বি-৬, ভিটামিন-C ও
ভিটামিন-D, নিয়াসিন ও
রিবফ্লাভিন। এছাড়া
কপার
ও
সেলিনিয়াম যথেষ্ট
পরিমাণে থাকায়
চুল
পড়া
রোধসহ
মহিলাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

No comments:
Post a Comment